বিজেপির মুখ্যমন্ত্রিত্বের দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন গোপীবল্লভপুরের দিলীপ ঘোষ,বৈঠকে মোদী-নাড্ডা

web desk- তাঁর নেতৃত্ব বাংলার মাটিতে প্রথমবার ভালো ফল করতে পেরেছিল দল। সেই ব্যক্তির নেতৃত্বের উপরে ভরসা করেই বিধানসভা নির্বাচনের গুটি সাজানো হয়েছিল। এবার সেই ব্যক্তিকেই রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসাতে চাইছে বিজেপি। এমনই জানা গিয়েছে সূত্র মারফত।

আলোচিত ব্যক্তি হলেন বঙ্গ বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ। পশ্চিমবঙ্গ জয় করলে তাঁকেই মুখ্যমন্ত্রীর পদে আসীন করার কথা ভাবছে দলের শির্ষ নেতৃত্ব। বুথ ফেরত সমীক্ষায় অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তৃণমূলকে এগিয়ে রেখেছে সংস্থাগুলি। সেখানে বিজেপিকে ম্যাজিক ফিগার থেকে খুব একটা দূরে রাখাও হয়নি।

 

এই অবস্থায় বাংলার মসনদ দখল করার বিষয়ে একপ্রকার নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। ২০১৯ সালের লোকসভা জয়ের পরেই যা শোনা গিয়েছিল দলের তৎকালীন সর্বভারতীয় সভাপতির মুখে। সেই লক্ষ্যপূরণে বাংলার ভোট পর্ব মিটতেই বৃহস্পতিবার রাতে সভাপরি জেপি নাড্ডার সঙ্গে বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতা দখল করতে পারলে কে মুখ্যমন্ত্রী হবেন তা নিয়ে জল্পনা নতুন নয়। দীর্ঘ দিন ধরেই এই নিয়ে আলোচনা চলছে। বারবার প্রশ্ন করা হয়েছে নেতৃত্বদের। যদিও কোনও সদর্থক উত্তর মেলেনি। বিষয়টি স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেছিলেন, “কখনই আমাদের মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী আগে ঘোষণা করা হয় না। কোনও রাজ্যে হয়নি। জয়লাভের পরে তা নিয়ে দল সিদ্ধান্ত নেয়। বাংলার ক্ষেত্রেও তাই হবে।”

 

ভোট মিটে গিয়েছে পশ্চিমবঙ্গে।জয়লাভ একপ্রকার নিশ্চিত। এই অবস্থায় মন্ত্রিসভা নিয়ে শুরু হয়েছে বৈঠক। আর সেখানে গুরুত্বপূর্ণ বিহয় হয়ে দাঁড়িয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর পদ। সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দিলীপবাবু একাধিক নেতানেত্রীর নাম উঠে এসেছে। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল- অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায়, স্বপন দাশগুপ্ত, কর্ণেল সুব্রত সাহা, বাবুল সুপ্রিয় এবং লকেট চট্টপাধ্যায়।

 

এদের সবাইকে ছাপিয়ে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছেন দিলীপ ঘোষ। দীর্ঘদিন দলের সঙ্গে যুক্ত থাকা, সংঘের হয়ে প্রচার চালানোর মতো নানান কীর্তি রয়েছে দিলীপের ঝুলিতে। এছাড়াও তাঁর নেতৃত্বে লোকসভায় দুই থেকে ১৮ আসনে পৌঁছে গিয়েছে বিজেপি। একুশের বিধানসভা দখলের পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছে তাঁর নেতৃত্বেই। সেই কারণেই মুখ্যমন্ত্রিত্বের দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন গোপীবল্লভপুরের নাড়ু।

Facebook Comments Box

Recommended For You