মাদারের মারে যুব কর্মী আহত ১২।

 

কুতুবউদ্দিন মোল্লা: ক্যানিং

দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের ইটখােলা গ্রাম পঞ্চায়তের গােলাবাড়ি এলাকায়। সোমবার সকাল থেকে দফায় দফায় তৃণমূল। যুব ও মাদারের দুই গােষ্ঠীর মধ্যে মারপিট হয়, গুলি ও বােমাবাজিতে এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। গুরুতর জখম হয় ১২ জন। যানা গিয়েছে রবিবার ক্যানিং রেল মাঠে যুব তৃণমূল নেতা পরেশরাম দাসের নেতৃত্বে যুব তৃণমূল কংগ্রেসের জনসভায় আসা নিয়ে যুব তৃণমূল ও মাদার তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীদের মধ্যে বচসা বাধে। ওই বচসার জেরে সােমবার সকাল ১০ টা নাগাদ যুব তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী হাঁসা ওরফে দেবপ্রসাদ মাঝিকে বেধড়ক মারধর করে মাদার তৃণমূল কংগ্রেসের সিরাজুল মােল্লা ও তার দলবল। এরপর এলাকায় উত্তপ্ত হতে শুরু করে, যুব তৃণমূলের কর্মীদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। গােষ্ঠিদ্বন্দ্বের তাণ্ডবে নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে পুলিশ কর্মীও জখম হয়। সঙ্গে মাদার তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীদের উত্তেজনা গােলাবাড়ি বাজারে প্রায় ২০ টি দোকানপাট ভাঙচুর এই ঘটনায় ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উত্তেজনা জেরে চলতে থাকে ইট , গুলি ও বােমা বৃষ্টি হয়। আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। এলাকায় চলছে পুলিশি টহলদারি। এদিকে গুলিতে জখম হন বেশ কয়েকজন যুব তৃণমূলের সদশ্য। জখমদের মধ্যে সীমা মাঝি ও ইন্দ্রজিৎ বসু নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী আসে। তবে উপপ্রধান খতিব জখম হন, স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়ির এসআই ইন্দ্রজিৎ এ পর্যন্ত মােট ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে।সরদার পলাতক। পুলিশ তার খোঁজ চালাচ্ছে। ইন্দ্রজিৎ বসু , ২ টি গােষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ অস্বীকার করেন। এলাকায় উত্তেজনা থাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে চলছে পুলিশি টহলদারি।

Recommended For You